নড়াইলে পুলিশের উপর হামলা, অস্ত্র ছিনতাই

নড়াইলের লোহাগড়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের দুজন এএসআই। হামলাকারীরা তাদেরকে মারপিট করে সঙ্গে থাকা একটি পিস্তল ও গুলি ছিনতাই করে।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কুমড়ি গ্রামে ওই হামলা হয়। 

পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) তানজিলা সিদ্দিকাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

উল্লেখ্য, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কুমড়ি এবং মাউলি গ্রামের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন যাবৎ উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিলো। বৃহস্পতিবার বেলা আনুমানিক ১১ টার দিকে কুমড়ি গ্রামের ওহিদ সরদার সমর্থিত বুলু সরদারকে পার্শ্ববর্তী মাউলি গ্রামের রোকন উদ্দিন মোল্লা সমর্থিত কিছু লোক অবরুদ্ধ করে রাখে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন ঐক্যবদ্ধ হয়ে হামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। দুপক্ষের সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার খবর পেয়ে লোহাগড়া থানার দুই এএসআই মীর আলমগীর এবং মীকাইল হোসেন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের এক পর্যায়ে স্থানীয়রা তাদের ওপর হামলা চালায়। তারা লাঠি ও রামদা দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে এবং এএসআই মীর আলমগীরের কাছে থাকা পিস্তল এবং আট রাউন্ড গুলি ছিনতাই করে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাদেরকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, এএসআই আলমগীরের মাথায় বেশ গভীর ক্ষত হয়েছে। চিকিৎসা চলছে।

ঘটনার পর অসংখ্য পুলিশ সদস্যের দীর্ঘ চেষ্টায় ছিনতাই হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত দুজন মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয় বসতিগুলো এখন অনেকটা পুরুষ শূন্য রয়েছে। 

মন্তব্য লিখুন :