তেলের বাড়তি দাম নিয়ে গ্যারাকলে সরকার

বিশ্ববাজারে দাম প্রতি টন ভোজ্যতেলে ৮০ থেকে ১০০ ডলার বৃদ্ধির কথা বলে বাংলাদেশের বাজারে চলতি বছরের চার মাসে দুই দফায় ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। সরকারের কোনও অনুমোদন না নিয়েই এই দাম বাড়ানো হয়েছে।

সরকারের অনুমোদন না নিয়ে দাম বাড়িয়ে দায় এড়াতে শুধু চিঠির মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি বৈধ করার চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ীরা। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে আবারও ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে সরকারের কাছে গেছে আমদানিকারক এবং পরিশোধন ও বিপণন কোম্পানিগুলো।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারির পর এক দফার পর ১৫ মার্চ আবারও প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৪ টাকা বাড়ানো হয়। এখন সেটা আরও ৫ টাকা বাড়িয়ে ১৪৪ টাকা করতে চান ব্যবসায়ীরা।

অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বাড়ানো দাম শুক্রবার থেকেই ভোক্তা পর্যায়ে কার্যকর হয়েছে। এতে উভয় সংকটে পড়েছে সরকার। কারণ, চিঠির মাধ্যমে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবটিকে অনুমোদন দেয়নি সরকার। ভোক্তা স্বার্থ বিবেচনা থেকেই এ মুহূর্তে প্রস্তাবটি আমলে নেয়া হয়নি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে হলে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিপণন ও পরিবেশক বিষয়ক জাতীয় কমিটির বৈঠক থেকে সর্বসম্মত অনুমোদন নিতে হয়। তবে ভোজ্যতেলের কারবারিরা এর তোয়াক্কা না করেই নিজেদের ইচ্ছামতো বাড়িয়েছেন। এরপর দায় এড়াতে শুধু চিঠির মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি বৈধ করার চেষ্টা করছেন।

বাংলাদেশে খোলা যেসব ভোজ্যতেল ব্যবহার হয়, তার ৭০ শতাংশই পাম সুপার। আগে এর প্রতি লিটারের দাম ছিল মিলগেইটে (খোলা) ৯৫ টাকা, পরিবেশক পর্যায়ে ৯৮ টাকা এবং খুচরা বাজারে ১০৪ টাকা।

মন্তব্য লিখুন :