স্থিতিশীল মসলার দাম

আসন্ন ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাজারগুলোতে বিভিন্ন মসলার বিক্রি বেড়েছে। তবে বিক্রি বাড়লেও নতুন করে এসব মসলার দাম বাড়েনি। স্থিতিশীল দাম বজায় রয়েছে বাজারগুলোতে।

পটুয়াখালীর নিউমার্কেট, পুরানবাজার, বাধঘাট এলাকার খুচরা ও পাইকারি বাজারে সচরাচর কোরবানির ঈদ সামনে রেখে গরম মসলার দাম বাড়লেও এবার ঈদে তেমনটি ঘটেনি। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, মাংস রান্নার অপরিহার্য মসলা আদা ও রসুনের দাম কিছুটা বেড়েছে।

রবিবার (১৮ জুলাই) জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে সেমাই, চিনি ও মসলার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের বেশ ভিড় রয়েছে। বিভিন্ন মসলার দোকানে ভিড় করে ক্রেতারা দারুচিনি, এলাচ, জিরা, জয়ফল, কাজুবাদামসহ বিভিন্ন পণ্য কিনছেন।

খুচরা পর্যায়ে শুকনো মরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। হলুদের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৬০ টাকায়। জিরার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে। দারুচিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা। এলাচ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি।

এছাড়া লবঙ্গের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকার মধ্যে। চারুচিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা। এলাচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭৫০ থেকে ২ হাজার ৪৫০ টাকা। আর লবঙ্গের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৪০ থেকে ৯০০ টাকা।

খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহের মধ্যে এ পণ্যগুলোর দাম বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেনি। নিউমার্কেট এলাকার ক্রেতা তানজিল বলেন, ‘ঈদের বেশিদিন বাকি নেই। এই সময় মসলা একটু বেশিই লাগবে। তাই একটু বাড়তি মসলা কিনে রাখছি।’

পুরান বাজারের ব্যবসায়ী স্বপন বলেন, ‘কোরবানির ঈদে মসলা একটু বেশি বিক্রি হয়। সরকার লকডাউন শিথিল করায় কিছুদিন যাবত ভালো বেচা-কেনা হচ্ছে। আশা করি ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বিক্রি ভালো হবে।

তিনি আরো বলেন, এবার ঈদে মসলার দাম বাড়েনি। এলাচ, জিরা ও দারুচিনি অন্যান্য সময়ের তুলনায় এখন কম দামেই বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজার দাম কম, তাই আমরাও কম দামে বিক্রি করতে পারছি।’

এদিকে মসলার দোকানের পাশাপাশি মুদি দোকানে ক্রেতাদের ভিড় করে সেমাই, চিনি কিনতে দেখা গেছে। ক্রেতারা জানিয়েছেন, লাচ্ছা সেমাইয়ের দাম তুলনামূলক কমই আছে। কিন্তু চিনির দাম অনেক বেশি। বাধঘাট এলাকার ব্যসায়ীরা বলেছেন, এবার সেমাই গত বছরের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন :