প্রতিটি স্কুলেই আনন্দ-উৎসব

সরকারি নির্দেশনায় রোববার থেকে খুলছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ ১৮ মাস পর শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হবে শিক্ষাঙ্গন। তাই কর্মব্যস্ত ছিল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা যেমন ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করেছে তাদের স্কুলড্রেস ও বই-খাতা; তেমনি স্কুল-কলেজের প্রতিটি অঙ্গন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করছেন দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মচারীরা।

শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন পর স্কুল খোলার আনন্দে কোনো কোনো স্কুল-কলেজে নতুন করে রং করা হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় আলপনা আঁকা হয়েছে, ক্লাস রুমে বেলুন দিয়ে সাজাতেও দেখা গেছে। সব মিলিয়ে প্রতিটি স্কুলেই খোলার আনন্দ-উৎসব বিরাজ করছে।

দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র ইংরেজি ভার্ষনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাহানারা ইসরাইল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। শনিবার স্কুলটিতে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের প্রতিটি কক্ষ নতুন করে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি দরজা-জানালা ও সিঁরির গ্রিল জীবাণুনাশক ওষুধ দিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছে। পুরো স্কুলটিকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

স্কুলের শিক্ষিকা মুন কর্মকার জানান, আমার স্কুল বন্ধ থাকলেও প্রতি সপ্তাহে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। শিশুদের জন্য পাঠদানের সুন্দর পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। এখন ক্লাসরুম সজ্জার কাজ চলছে। শিশুদের রুমগুলোতে বেলুন দিয়ে সাজানো হচ্ছে। বাহিরে আলপনা দিয়ে সাজানো হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান কবি এসএম শেলী বলেন, অভিভাবকরা সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর পর তাদের সুরক্ষার দায়িত্ব পড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর। সেই চিন্তা থেকে পুরো প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি স্কুলের প্রবেশের পূর্বে হাত ধোয়া, জীবাণুনাশক স্প্রে করার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আমরা শিশুদের একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ দিতে চাই।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন বলেন, শিশুরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেন স্কুলে প্রবেশ করতে পারে সেই বিষয়ে কাজ করার নির্দেশনা ছিল সরকারের পক্ষ থেকে। বিশেষ করে শিশুদের হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাঠ গ্রহণের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে প্রতিটি স্কুলে।

মন্তব্য লিখুন :