সবুজ দিগন্ত জুড়ে কৃষকের স্বপ্ন

চলতি মৌসুমে ফসলি জমির মাঠগুলোতে এখন শোভা পাচ্ছে ইরি-বোরো ধান। সেই সাথে দিগন্ত জুড়ে বেড়ে ওঠা ধানের সবুজ রঙে ভরে উঠেছে উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠ। গত মৌসুমে ধানের ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় এবার কোমড় শক্ত করে মাঠে নেমেছেন কৃষাণ-কৃষাণীরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে উপজেলায় মোট ১৮ হাজার ৬ শত ৫ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। তার মধ্যে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ধানের লক্ষ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬হাজার ৩শত ৫হেক্টর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকাসহ সঠিক সময়ে চারা লাগানো থেকে শুরু করে সেচ দেয়া ও সার সংকট না থাকায় ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মধ্যে হালকা বৃষ্টিপাত হলে ধানের রোগ-বালাই অনেকটাই কমে যাবে এমনটা ধারণা করা হচ্ছে। 

শস্যভাণ্ডার খ্যাত নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা। এ উপজেলায় স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবং আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষ করায় মাঠ জুড়ে লক লক করছে ইরি-বোরো ধানের চারা। আর দেড় মাসের মধ্যে চলতি মৌসুমে কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এমনটাই ধারণা করছেন উপজেলা কৃষি বিভাগ। 

সোনালী ফসল ঘরে তুলবেন এমনই বুক ভরা আশা নিয়ে কৃষাণ-কৃষাণীরা মাঠে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান গাছের পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

মাঠে গিয়ে দাঁড়ালেই দেখা যায় মৃদু হাওয়ায় সবুজ ধানের সাথে কৃষকের মনে দোল খাচ্ছে সোনালী স্বপ্ন। 

উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বীরগ্রাম এলাকার কৃষক মো. বাবুল হোসেন জানান, চলতি বছরে আমি প্রায় দেড় বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ করেছি। কোন ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে বিগত বছরের তুলনায় এবার ভালো ফলন ঘরে তুলতে পারব। 

উপজেলা কৃষি অফিসার মোছা. শাপলা খাতুন জানান, চলতি মৌসুমে শুরু থেকেই কৃষকদের চাষাবাদে সঠিক পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবছরে ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন :