আন্তঃ কোন্দলে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভা বাতিল

ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের পুণনির্ধারিত সভা শনিবার ( ১লা মে) সকাল ১১টায় স্থানীয় র‌্যাফেলস ইন হোটেলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও হঠাৎ করে তা বাতিল করা হয়েছে। 

কেন হঠাৎ করে সভা বাতিল করা হলো এ বিষয়ে কেউ মুখ খুলছে না। নেতাদের প্রশ্ন করলে তারা বলেন দলের সভাপতি সম্পাদকই বলতে পারবেন।

অনুসন্ধ্যানে জানা যায়, জেলা আওয়ামী লীগ সহ অঙ্গ সংগঠনের আভ্যন্তরীন কোন্দলের কারণে এই সভা বাতিল হয়েছে। 

ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেন নাই।

ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহার সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তার ফোনটি রিসিভি করেন তার সহকারী গোবিন্দ। তিনি জানান, স্যার ব্যস্ত আছেন।

ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক এ্যাডভোকেট অনিমেষ রায় জানান, করোনার কারণে অনেক নেতা অনুষ্ঠানস্থলে আসতে না পারায় এবং কেউ কেউ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে সভাটি বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ফরিদপুর জেলায় সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের অনুগত একনিষ্ঠ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের পর জেলা আঃলীগ ৫-৭ টি গ্রুপে বিভক্ত হয়েছে।

এরআগে গতকাল ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের তোপের মুখে শহর শাখার আওয়ামী লীগের ইফতার ও আলোচনা অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

এই বিষয়ে শহর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির জানান, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল হোসেন খন্দকার লেভী ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত জেলে থাকার কারণে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শেখ মাহাতাব আলী মেথু ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও আমি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করতেছি।

তিনি আরও জানান, ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ বুধবারে আমাদের সাথে যেই ঘটনাটি ঘটিয়েছে এটা খুবই দুঃখজনক, পৃথিবীর কোথায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি যে দল ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় জেলা শাখা অথবা শহর শাখা কোন অনুষ্ঠান করতে পারবে না। আমরা কোথায় বাস করিতেছি? পরে আমরা অন্যত্র গিয়ে ইফতার করি। ইফতার নিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড না করার জন্য জেলা কমিটিকে আহবান জানান।

মন্তব্য লিখুন :