পরাজয়ের আশংকায় শেষ দিনে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সামনে ৪৩৭ রানের বড় লক্ষ্য। চতুর্থ দিন শেষে সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৭৭। জয়ের জন্য এখনও দরকার ২৬০ রান।

চুতুর্থ দিনের খেলায় দ্বিতীয় ইনিংসে ইতিমধ্যে ফিরে গেছেন পাঁচ ব্যাটসম্যান। উইকেটে আছেন লিটন দাস ও মেহেদি হাসান মিরাজ।

আলোকস্বল্পতায় আগেই খেলা শেষ হয়ে যাওয়ায় শেষ দিনে খেলা হবে ৯৮ ওভার। তবে বাংলাদেশ সেই ৯৮ ওভার পার করার আশা দেখছে লিটন ও মিরাজের ব্যাটে।

বড় টার্গেটের মুখে তামিম যথারীতি শুরু করেন দারুণ কিছু শটের মাধ্যমে। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সুরাঙ্গা লাকমলকে বাউন্ডারি মারেন ব্যাকফুট পাঞ্চে। নতুন বলে শুরু করা অফ স্পিনার রমেশ মেন্ডিসকে ছক্কা মারেন চোখধাঁধানো এক ইনসাইড আউট শটে।

মেন্ডিসই পরে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ফেরান তামিমকে। স্টাস্পে পিচ করা বল টার্ন ও বাউন্সে তামিমের ব্যাটের একপাশে আলতো ছুঁয়ে জমা পড়ে কিপারের গ্লাভসে। টানা চার ফিফটির পর এবার তামিম আউট ২৬ বলে ২৪ করে।

এই মেন্ডিসকে একটু পর ছক্কা মারেন সাইফ। বেশ কিছু শট খেলে এই ওপেনার চেষ্টা করেন ইতিবাচক থাকার। কিন্তু বেশি শট খেলার চেষ্টাই কাল হয় তার। বাঁহাতি স্পিনার প্রাভিন জয়াবিক্রমাকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ধরা পড়েন কাভার পয়েন্টে। ততক্ষণে চার টেস্টের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংসটি অবশ্য খেলতে পারেন তরুণ ওপেনার, তবে সেটি কেবলই ৩৪ রানের।

চা বিরতির একটু আগে জয়াবিক্রমা থামান শান্তকেও (২৬)। উইকেটের ক্ষতে পিচ করে বল বিশাল টার্ন নিয়ে শান্তর ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে আঘাত করে স্টাম্পে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

শ্রীলঙ্কা ১ম ইনিংস: ৪৯৩/৭ (ডি.)

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৫১

শ্রীলঙ্কা ২য় ইনিংস: (আগের দিন ১৭/২) ৪২.২ ওভারে ১৯৪/৯ (ডি.) (করুনারত্নে ৬৬, ম্যাথিউস ১২, ধনাঞ্জয়া ৪১, নিসানকা ২৪, ডিকভেলা ২৪, মেন্ডিস ৮, লাকমল ১২, জয়াবিক্রমা ৩*; মিরাজ ১৪-৩-৬৬-২, শরিফুল ১-০-৮-০, তাইজুল ১৯.২-২-৭২-৫, তাসকিন ৪-০-২৬-১, সাইফ ৪-০-২২-১)।

বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ৪৩৭) ৪৮ ওভারে ১৭৭/৫ (তামিম ২৪, সাইফ ৩৪, শান্ত ২৬, মুমিনুল ৩২, মুশফিক ৪০, লিটন ১৪*, মিরাজ ৪*; লাকমল ৪-২-১৪-০, মেন্ডিস ২০-০-৮৬-৩, জয়াবিক্রমা ২০-৫-৫৮-২, ধনাঞ্জয়া ৪-০-১৬-০)

মন্তব্য লিখুন :